নবিজি (সাঃ) বললেন, “যে দা জাজালের কথা শুনবে সে সম্পর্কে তার কথা বলতে হবে। নিজেকে নিজেকে খাঁটি বিশ্বাসী মনে করে তার কাছে। কিন্তু দাজ্জাল তার মনে এমন সব শুবুহাত (খুঁটি) বাধ্য করা পদ্ধতি, যে কারণে সে উল্টো তাকে অনুসরণ করা শুরু করবে।

এক শব্দে যদি বলতে হয়, তাহলে আমাদের শুবুহাতের সময়।

একজন জ্ঞানদার কিভাবে দাজলাকে অনুসরণ করতে পারে মনে মনে ভাবতে পারে। কিন্তু, এই কথাই এর উত্তর আছে। আমাদের বড় অনুসারী তথ্যদার, বিশ্বাসী মনে করবে। কিন্তু আসলে তারা তা না। শুবুহাত, খটকামূলক চিন্তাভাবনা, সন্দেহ, বিরোধী অনুমান: এই সব বিষয়গুলো তুলে ধরা বাটে জানাতে। তারা ভাববে দাজাল পথই সঠিক পথ। কিন্তু আসলেই তো কথা হবে উল্টো। নবীজি আরও বললেন, শুবুহাত দাজ্জাল থেকে। একমাত্র “ধারণাগুলো”কে দাজ্জাল তার অস্ত্র হিসাবে চালাবে। তার মধ্যে কিছু স্মিতি-যুক্তির শিকার হবো আমরা মানুষ। বহির্ভূত খালি যে অ্যাকাডেমিক চত্বরে, ভার্সিটি হলের চার দেওয়ালেই ঘুরপাক খায়, তা-ও না। অনেক স্বপ্ন বিষাক্ত। সতর্কতা না শুভচিন্তার বিশ্বাসীদের মনেও প্যাঁচ লাগাতে হবে।

কথা বলা, এখন উপায় থেকে বাঁচব? সতর্ক হতে হবে। দাজ্জাল থেকে পালাতে হবে। আ আপনার সুরা আল-কাহফ্‌ আছে। নাবিজি (ﷺ) বলেছেন, এটা যে মুখস্থ রাখবে, তিলাওয়াত করবে, তার জন্য এটাকবাচ। ‘আলিমদেরও অনেক কথা আছে। ইংরেজিতে ড. শেডী এলমাসরি;র কথাবার্তা দেখতে দেখতে।

খাটকা থেকে বাঁচতে জামাআর সাথে হবে। জামা ‘আ ইন আজ সকাল যারা লোকসংখ্যা বেশি তারা না। যুগযুগ ধরে ‘আলিমদের বড় যেটার উপর ছিলেন। আজকাল অনেক মুসলিম বক্তা, বুদ্ধিজীবী বলেন, “৪ ইমামের মত ক্ল্যাসিকাল ‘আলিমপাড়া এক মত কিন্তু ভুল। করেছেন। আমাদের সময়ে সঠিক মত ‘ক’।

কথাবার্তা শুনলে আর কিছু ভাবার দরকার নেই। উল্টো দিকে ফিরে ঝাড়া দৌড় দিন। জানেন তো, যে ছাগল একা থাকে নেকড়ে তাকেই খায়। শুভাহত। দাজ্জালের ডাক থেকে বাঁচতে অনেকটাই আলিম যেকথায় এক মত ছিল, জুত করে ধরে। অবশ্য এটা ধরে রাখতে হবে কখনো মনে হবে আপনি মনের জোরে কয়লা হাতে নিয়ে আছেন।

স্বতন্ত্র অবস্থান যদি ঠিকঠাক না-ও বোঝেন, বা মনে হয় খচখচাঁ দল… আরও জাপটে এটাকে ধরে রাখতে হবে। বিকল্প খুঁজতে যাবেন না। “আধুনিক” যুগে যেটা বেশি যায়, সেটা বেশি মজাদার ওটা ধরতে ভুল করবেন না। আজকালকার অনেক লোকদের কাছে যা বেশি শ্রদ্ধার অধিকারী তা খুঁজতে যাবেন না। শুবুতের সময়ে নিজেকে সামনের রাস্তাটি। আল্লাহ আমাদের নিরাপদ থেকে বাঁচিয়ে রাখুক।

পুনশ্চ: তুমিকে তাই বলে- দেখো বন্ধ করে যৌক্তিক চিন্তাভাবনা ছেড়ে দাও না। কিন্তু একটা নিরাপত্তা বেষ্টনী তো আমরা যে কবিতা যৌক্তিক চিন্তা ভাবনা করি, মনে মনে যদি আমাদের অনেক ‘আলিমরা যে অবস্থানে ধরে ছিল তার কাছে উপস্থিত থেকে দেখায়, তাহলে আশা করি কোনো কিছু যৌক্তিক চিন্তা না।

কেন?

কারণ, আমরা আমাদের পরম্পরাগত ‘আলিমদের থেকে বেশি যৌক্তিক না। আমরা এমনকি তাদের বুঝ, গভীর চিন্তাচেনা বা খোলামেলা যে কথা বলে “ব্রেইন” আমরা তার ধরেছেও না। এই এক ধরনের চিন্তা ভাবনা ভেকিবাজি ছাড়া আর কিছু না। আমাদের পূর্বসূরিরা যেভাবে শরী‘আহকে করেছেন, কোনো চিন্তা বা আলোচনা যদি আলোচনাকে আরও ভালোভাবে আলোচনা করে সাহায্য করে, তাহলে গ্রেট। ব্যবহার আরও চাই। কিন্তু রুগ্ন চিন্তা আর যুক্তির ভেলিকি আমাদেরকে আর তাদের চিন্তাভাবনা থেকে বের করা পার্টি দেয়, তত্ত্ব নিরাপত্তা ভূমিধস। চাপা পড়লে পড়া নেই।

অনুবাদকঃ মাসুদ শরীফ